
জনপদের খবর
স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা
তারিখ: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬ | সময়: সকাল ০৮:৪০
ঢাকা: পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে আন্তঃনগর ট্রেনের ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদ উদযাপনের পর নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে কর্মস্থলে ফেরার লড়াইয়ে আজ শনিবার (২৩ মে) বিক্রি করা হচ্ছে আগামী ২ জুনের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট।
যাত্রীদের টিকিট সংগ্রহের ভোগান্তি ও লাইনে দাঁড়ানোর কষ্ট লাঘব করতে বরাবরের মতোই এবারও শতভাগ আসনের টিকিট অনলাইন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।
রেলওয়ে কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৮টা থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগ) চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, আজ দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ) চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এক নজরে ফিরতি টিকিট বিক্রির সময়সূচি
রেলওয়ের বিশেষ ফিরতি টিকিট বিক্রির সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩১ মে’র আসনের টিকিট ইতিমধ্যেই গত ২১ মে এবং ১ জুনের আসনের টিকিট গতকাল ২২ মে বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। আজ ২৩ মে দেওয়া হচ্ছে ২ জুনের টিকিট।
পরবর্তী দিনগুলোর টিকিট বিক্রির সূচি:
- ৩ জুনের টিকিট বিক্রি হবে আগামীকাল ২৪ মে (রবিবার)।
- ৪ জুনের টিকিট বিক্রি হবে আগামী ২৫ মে (সোমবার)।
টিকিট ফেরতের সুযোগ নেই, লাগবে সহযাত্রীদের নাম
ঈদ যাত্রার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং টিকিট কালোবাজারি সম্পূর্ণ রোধ করতে এবার বেশ কিছু কড়া নিয়ম জুড়ে দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, বিশেষ এই ফিরতি ঈদ যাত্রার সময় সংগৃহীত টিকিট যাত্রীরা কোনোভাবেই রেলওয়ের কাছে ফেরত (রিফান্ড) দিতে পারবেন না।
এছাড়া, একজন টিকিটপ্রত্যাশী তাঁর নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একবারে সর্বোচ্চ চারটি আসনের টিকিট কিনতে পারবেন। তবে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত হলো—যদি কেউ নিজের ব্যতিরেকে একাধিক (একটির বেশি) আসনের টিকিট কেনেন, তবে টিকিট বুকিং করার সময়ই বাকি সহযাত্রীদের (Co-passengers) নাম ও সঠিক তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে। সহযাত্রীদের নাম মিল না থাকলে স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে রেলওয়ে প্রশাসন।
অনলাইনে শতভাগ টিকিট দেওয়ায় এবার স্টেশনে টিকিটপ্রত্যাশীদের উপচেপড়া কালোবাজারি বা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। তবে টিকিট ছাড়ার সাথে সাথেই সার্ভারে অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেক যাত্রী কাঙ্ক্ষিত টিকিট পেতে বেগ পোহাচ্ছেন বলেও জানা গেছে।