
দৈনিক কালান্তর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২৬
লাইফস্টাইল ডেস্ক: মিষ্টি কুমড়া আমাদের দেশের অত্যন্ত পরিচিত ও সহজলভ্য একটি সবজি। বিশেষ করে শীতকালীন এই সবজিটি পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও এর বহুমুখী উপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই পুরোপুরি অবগত নন।
যুক্তরাষ্ট্রের এগ্রিকালচার’স ফুড ডেটা সেন্ট্রালের তথ্য অনুযায়ী, এক কাপ (প্রায় ২৪৫ গ্রাম) সেদ্ধ বা রান্না করা মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে ৪৯ ক্যালরি, ১.৭৬ গ্রাম প্রোটিন, ২.৭ গ্রাম আঁশ, ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ০.১৭ গ্রাম ফ্যাট। এতে কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে।
এছাড়া মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, রিবোফ্লোবিন, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাংগানিজ, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ফলিক অ্যাসিড, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, নিয়াসিন, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।
মিষ্টি কুমড়ার উপকারিতা
চোখের জন্য উপকারী:
মিষ্টি কুমড়ায় থাকা বিটা-ক্যারোটিন ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং ভিটামিন এ-এর ঘাটতিজনিত সমস্যা প্রতিরোধে সহায়ক।
ত্বক সুরক্ষা:
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ফ্রি রেডিকেলজনিত ক্ষতি কমায় এবং ত্বক সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।
হৃদরোগ ও ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরে ক্ষতিকর চর্বি জমা কমাতে সাহায্য করে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। একইসঙ্গে ক্যানসার প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি সর্দি-কাশি ও ঠান্ডাজনিত সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
হজমে সহায়ক:
উচ্চমাত্রার আঁশ থাকায় মিষ্টি কুমড়া হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মিষ্টি কুমড়া অন্তর্ভুক্ত করলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নানা রোগ প্রতিরোধেও উপকার পাওয়া যায়।