ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস জনগণ, লক্ষ্য স্বনির্ভর বাংলাদেশ: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপির একক প্রার্থী নিশ্চিত করা হবে: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘সীরাতুন নবী (সা.) ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নেপাল ট্র্যাজেডিতে বিশ্বজুড়ে সতর্কবার্তা: জলবায়ু বিপর্যয়ে শীর্ষে বন্যা, বাস্তুচ্যুত কোটি মানুষ ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানে উড়িয়ে দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করল বাংলাদেশ নারী দল নেক আমল বাড়ায় পুণ্যের পরিধি, পাপ ডেকে আনে বিপর্যয়: পরকালের প্রস্তুতিতে প্রয়োজন সঠিক পথ সেপ্টেম্বর মাসের জন্যও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখল সরকার নেপালে আকস্মিক বন্যায় লাশের মিছিল: গণকবরে রূপ নিয়েছে চিতওয়ানের সবুজ বন, নিখোঁজ সহস্রাধিক দেশের ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত মনোহরগঞ্জে সরকারি শর্টগান ও এলজিসহ যুবক গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ মাদকের প্রতিবাদ করায় গণপতি স্যারের পরিবারকে হত্যা: দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত দেড় হাজার ছাড়াল ডোয়াইন ব্রাভোকে অনন্য সম্মান: ৪৭ নম্বর জার্সি আজীবনের জন্য অবসরে পাঠাল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন: উপকূলজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্য

বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস জনগণ, লক্ষ্য স্বনির্ভর বাংলাদেশ: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস জনগণ: ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | জনপদের খবর

জাতীয় ডেস্ক, জনপদের খবর:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সব রাজনৈতিক ক্ষমতার মূল উৎস এ দেশের গণতন্ত্রকামী সাধারণ জনগণ—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, একটি বৈষম্যহীন, জনকল্যাণমুখী, প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করাই বিএনপির মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য ও দর্শন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিএনপির গৌরবোজ্জ্বল ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসী এবং দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। তিনি বলেন, “সাহস, দীর্ঘ সংগ্রাম, সীমাহীন ত্যাগ ও সাফল্যের গৌরবময় ইতিহাস অতিক্রম করে বিএনপি আজ ৪৮ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণ গণতন্ত্রকামী প্রতিটি নাগরিকের জন্য অশেষ আনন্দ, উদ্দীপনা ও এগিয়ে চলার অনন্ত প্রেরণার উৎস।”

দলের প্রতিষ্ঠাকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে রাজধানীর রমনা বটমূল প্রাঙ্গণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করে একদলীয় ‘বাকশাল’ কায়েম করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নবযাত্রার সূচনা করেন।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সম্মোহনী নেতৃত্ব ও আপসহীন ভূমিকার মাধ্যমেই বিএনপি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিটি সাধারণ মানুষের প্রাণের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বিএনপি সবসময় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াইয়ে দলের যেসকল নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন কিংবা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের জনগণ যখনই ভয়হীন পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিপুল জনরায় দিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করেছে। অতীতেও সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন ও নারীশিক্ষার উন্নয়নসহ প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র মজবুত করতে বিএনপি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও বিএনপির ওপর আস্থা রেখে দেশ সেবার পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে। একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা উপহার দিয়ে সরকার জনগণের সেই আস্থার শতভাগ প্রতিদান দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসা সমুন্নত রেখে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী দেশমাতৃকার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস জনগণ, লক্ষ্য স্বনির্ভর বাংলাদেশ: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস জনগণ, লক্ষ্য স্বনির্ভর বাংলাদেশ: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : এক মিনিট আগে

জাতীয় ডেস্ক, জনপদের খবর:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সব রাজনৈতিক ক্ষমতার মূল উৎস এ দেশের গণতন্ত্রকামী সাধারণ জনগণ—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, একটি বৈষম্যহীন, জনকল্যাণমুখী, প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করাই বিএনপির মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য ও দর্শন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিএনপির গৌরবোজ্জ্বল ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসী এবং দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। তিনি বলেন, “সাহস, দীর্ঘ সংগ্রাম, সীমাহীন ত্যাগ ও সাফল্যের গৌরবময় ইতিহাস অতিক্রম করে বিএনপি আজ ৪৮ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণ গণতন্ত্রকামী প্রতিটি নাগরিকের জন্য অশেষ আনন্দ, উদ্দীপনা ও এগিয়ে চলার অনন্ত প্রেরণার উৎস।”

দলের প্রতিষ্ঠাকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে রাজধানীর রমনা বটমূল প্রাঙ্গণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করে একদলীয় ‘বাকশাল’ কায়েম করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নবযাত্রার সূচনা করেন।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সম্মোহনী নেতৃত্ব ও আপসহীন ভূমিকার মাধ্যমেই বিএনপি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিটি সাধারণ মানুষের প্রাণের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বিএনপি সবসময় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াইয়ে দলের যেসকল নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন কিংবা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের জনগণ যখনই ভয়হীন পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিপুল জনরায় দিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করেছে। অতীতেও সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন ও নারীশিক্ষার উন্নয়নসহ প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র মজবুত করতে বিএনপি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও বিএনপির ওপর আস্থা রেখে দেশ সেবার পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে। একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা উপহার দিয়ে সরকার জনগণের সেই আস্থার শতভাগ প্রতিদান দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসা সমুন্নত রেখে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী দেশমাতৃকার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন।