সিনিয়র রিপোর্টার, জনপদের খবর:
রাজধানীর পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় পৈতৃক সূত্রের প্রায় ৫ কাঠা মূল্যবান জমি জোরপূর্বক জবরদখল, ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জার্মানি প্রবাসী আলমগীর ওরফে অ্যাপোলোর পরিবার। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) এক বিবৃতিতে জার্মানি প্রবাসী আলমগীর অ্যাপোলোর পক্ষে তাঁর বড় ভাই মো. রুহুল আমিন এবং ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) মো. আব্দুস সালাম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
অভিযোগে জানা যায়, রাজধানীর শেওড়াপাড়ার ৫৯৩/এ ঠিকানায় মেট্রোরেলের ৩২০ নম্বর পিলারের সন্নিকটে প্রায় ১৫ কাঠা পৈতৃক জমি ভাগাভাগি নিয়ে তিন ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাঁদের পিতা মরহুম আলহাজ আব্দুল মালেকের রেখে যাওয়া এই সম্পত্তিতে তিন ভাইয়েরই সমান বৈধ উত্তরাধিকার রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, রাজউকের অনুমোদন, প্রয়োজনীয় বৈধ দলিলপত্র এবং দেওয়ানি আদালতের মামলা খারিজ সংক্রান্ত রায় থাকা সত্ত্বেও মেজ ভাই আলহাজ মো. মুকুল আমিন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫ কাঠা জমি এককভাবে জবরদখল করে রেখেছেন।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জার্মানি প্রবাসী আলমগীর অ্যাপোলো অভিযোগ করে বলেন, “পৈতৃক সম্পত্তি একা লিখে নেওয়ার অপচেষ্টায় অতীতে নানা চক্রান্ত করা হয়েছিল। আমরা এতে বাধা দেওয়ায় আমাদের নামে একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এলাকায় আমাদের বৈধ অংশে কোনো কাজ করতে গেলে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করা হচ্ছে।”
এদিকে বিরোধপূর্ণ ওই জমিকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দখলকৃত জায়গাটিতে রাতের আঁধারে নানা ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক তৎপরতা চালানো হয়। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী পরিবারটি পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য বণ্টন এবং নিরাপত্তাহীনতা দূরীকরণে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

মোঃ আল আমিন কাজী 









