ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
রিজিকে বরকত ও মানসিক প্রশান্তি অর্জনে নবীজির শেখানো বিশেষ দোয়া ও আমল ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটে উত্তাল রাজপথ: ব্যাপক সংঘর্ষ, আটক অন্তত ৪০০ চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় মা ইলিশ শিকার: দুই জেলের কারাদণ্ড, ৩০ হাজার মিটার জাল বিনষ্ট কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: বরগুনার একই পরিবারের ৩ জনসহ ৭ স্বজনের মৃত্যু, কালিপুরায় শোকের মাতম ঢাকার বাতাস আবারও ‘অস্বাস্থ্যকর’: বিশ্ব দূষিত শহরের তালিকায় অষ্টম স্থানে রাজধানী জনগণের সহযোগিতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আইজিপি আলী হোসেন ফকির রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সবজির দাম: মাছ ও মুরগিতেও অস্বস্তি, মাংসের দর স্থিতিশীল উপকূলীয় ৬১৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্টগার্ডের ৩৪০০ সদস্য মোতায়েন: প্রস্তুত বিশেষ ডুবুরি দল একদিনে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও রাজশাহীতে জনসভা পবিত্র জুমার গুরুত্ব ও ফজিলত: অফুরন্ত রহমত ও মাগফিরাত অর্জনের অনন্য দিন

ছুটি শেষে যোগদান না করায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা: পাওনা আদায়ে সিন্ডিকেটের কড়া সিদ্ধান্ত

  • MD Al Amin Kazi
  • Update Time : ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

ছুটি শেষে না ফেরায় কুবি’র ৬ শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা, পাওনা আদায়ের নির্দেশ | জনপদের খবর

কুবি প্রতিনিধি, জনপদের খবর:

উচ্চশিক্ষার জন্য নির্ধারিত শিক্ষাছুটি শেষ হওয়ার পরও যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরে না আসা এবং পরবর্তীতে অব্যাহতির আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছয়জন শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে বকেয়া আর্থিক পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়াও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষাছুটির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা কর্মস্থলে যোগদান করেননি এবং পরবর্তীতে পদত্যাগের বা অব্যাহতির আবেদন দাখিল করেছেন, তাঁদের মূল পদ শূন্য ঘোষণার বিষয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ১১১তম সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকেই ছয়জন শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় পাওনা অর্থ আদায়ের প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

পদ শূন্য হওয়া ছয় শিক্ষক হলেন—মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসেন চৌধুরী, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন এবং ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া হক চাঁদনী।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী জানান, শিক্ষাছুটির শর্ত ভঙ্গ করে অনেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং কেউ কেউ দূর থেকেই অব্যাহতির আবেদন পাঠিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সিন্ডিকেট তাঁদের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করেছে।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন, “পদ শূন্য ঘোষণা করা হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের এখনো আনুষ্ঠানিক অব্যাহতিপত্র প্রদান করা হয়নি। শিক্ষাছুটিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা বা বন্ডের শর্ত বাবদ যেসব আর্থিক পাওনা রয়েছে, সেগুলো পরিশোধের জন্য তাঁদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। পাওনা অর্থ পুরোপুরি সমন্বয় ও লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল তাঁদের চূড়ান্ত অব্যাহতি দেওয়া হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ছুটি শেষে শিক্ষকদের ফিরে না আসার প্রবণতা রোধ করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক স্বার্থ ও একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের কড়া পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

মন্তব্য দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আরো পড়ুন

রিজিকে বরকত ও মানসিক প্রশান্তি অর্জনে নবীজির শেখানো বিশেষ দোয়া ও আমল

ছুটি শেষে যোগদান না করায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা: পাওনা আদায়ে সিন্ডিকেটের কড়া সিদ্ধান্ত

Update Time : ০১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

কুবি প্রতিনিধি, জনপদের খবর:

উচ্চশিক্ষার জন্য নির্ধারিত শিক্ষাছুটি শেষ হওয়ার পরও যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরে না আসা এবং পরবর্তীতে অব্যাহতির আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছয়জন শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে বকেয়া আর্থিক পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়াও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষাছুটির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা কর্মস্থলে যোগদান করেননি এবং পরবর্তীতে পদত্যাগের বা অব্যাহতির আবেদন দাখিল করেছেন, তাঁদের মূল পদ শূন্য ঘোষণার বিষয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ১১১তম সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকেই ছয়জন শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় পাওনা অর্থ আদায়ের প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

পদ শূন্য হওয়া ছয় শিক্ষক হলেন—মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসেন চৌধুরী, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিপা রানী দাস, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন এবং ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া হক চাঁদনী।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী জানান, শিক্ষাছুটির শর্ত ভঙ্গ করে অনেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং কেউ কেউ দূর থেকেই অব্যাহতির আবেদন পাঠিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সিন্ডিকেট তাঁদের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করেছে।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন, “পদ শূন্য ঘোষণা করা হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের এখনো আনুষ্ঠানিক অব্যাহতিপত্র প্রদান করা হয়নি। শিক্ষাছুটিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা বা বন্ডের শর্ত বাবদ যেসব আর্থিক পাওনা রয়েছে, সেগুলো পরিশোধের জন্য তাঁদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। পাওনা অর্থ পুরোপুরি সমন্বয় ও লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল তাঁদের চূড়ান্ত অব্যাহতি দেওয়া হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ছুটি শেষে শিক্ষকদের ফিরে না আসার প্রবণতা রোধ করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক স্বার্থ ও একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের কড়া পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী।