রাজনৈতিক প্রতিবেদক, জনপদের খবর:
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে যারা গোপনে নানা ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার অর্থ রাজপথে মারামারি বা বিশৃঙ্খলা করা নয়, বরং সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও কঠোর আইনি প্রক্রিয়ায় অপতৎপরতাকারীদের দমন করা হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়া পরিষদের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “একটি চক্র দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে এবং অর্জিত স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে গোপনে চোরাগোপ্তা নাশকতা চালাচ্ছে। তবে তারা ভুলে গেছে যে, জনগণ এখন অত্যন্ত সচেতন। যারা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাবে, তাদের কঠোর হস্তে এবং পুরোপুরি আইনের কাঠামোর ভেতরে থেকেই মোকাবিলা করা হবে। কোনো ধরনের অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “দীর্ঘ আন্দোলন ও চরম আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করা হয়েছে। বীর জনতার তীব্র ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মুখেই ফ্যাসিস্টরা এ দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাই চোরাগোপ্তা অপচেষ্টা চালিয়ে আর যাই হোক, জনগণের শক্তির অগ্রযাত্রাকে থামানো যাবে না।”
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশের উত্তরোত্তর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ সময় জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।





















