বাণিজ্য প্রতিবেদক, জনপদের খবর:
টানা রেকর্ড বৃদ্ধির পর দেশের বাজারে অবশেষে কিছুটা কমেছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম সমন্বয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা বিবেচনায় এনে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
সোমবার (৫ অক্টোবর ২০২৬) সকালে বাজুসের এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বিশেষ সভায় নতুন এ দর চূড়ান্ত করা হয়। আজ সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে নতুন এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর হয়েছে।
বাজুস ঘোষিত নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। গতকাল রবিবার পর্যন্ত এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায়। অর্থাৎ ভরিতে দাম কমেছে ১ হাজার ৬৯১ টাকা।
অন্যান্য মানের স্বর্ণের ক্ষেত্রেও দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।
স্বর্ণের দামে সংশোধন এলেও দেশের বাজারে রুপার দাম সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজুসের চার্ট অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ রয়েছে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।
বাজুস সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার অনুমোদিত ৫ শতাংশ ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। তবে অলংকার ক্রয়ের ক্ষেত্রে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে।





















