নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আইবিএ মিলনায়তনে ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহাসিক সংগ্রামের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এতে মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন। শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিজেদের অনুভূতি ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বক্তব্য দেন আইবিএ-র বিবিএ ৩২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রুবায়েত ফেরদৌস রনিল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আমাদের দেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মৃতি ও আদর্শকে ধরে রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তরুণ প্রজন্মকে এই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”
মূল আলোচকের বক্তব্যে অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বলেন, “গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় জুলাই আন্দোলনের অবদান অনন্য। একটি সুশাসিত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
আলোচনা পর্ব শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত এবং চিকিৎসাধীন আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির সার্বিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আইবিএর শিক্ষকমণ্ডলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ আল আমিন কাজী 



















