ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে নতুন ধারাবাহিক নাটক জনপদের খবর অর্থনৈতিক চাপ সামরিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি: আইআরজিসি ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি (২৪ আগস্ট ২০২৬) আশুলিয়ায় প্রতারক ও অপহরণকারী চক্রের দুই নারীসহ ৫ সদস্য আটক নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ বিএফএর: নীতিমালা ভাঙলে ডিলারশিপ বাতিলের হুঁশিয়ারি মেসির গোলে আশা জাগিয়েও হার: টানা এক মাস জয়হীন ইন্টার মায়ামি আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শ্রদ্ধা ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে বুড়িগঙ্গায় জমজমাট নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়ায় শেখ হাসিনার পতন হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মৌচাকে ফুট ওভারব্রিজের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, দীর্ঘ যানজট পবিত্র জুমার গুরুত্ব, বিশেষ ফজিলত ও হাদিস অনুযায়ী করণীয় আমল

রাজধানীর কাঁঠালবাগানে সেপটিক ট্যাংকের গ্যাস বিস্ফোরণ: ৩ ফার্নিচার শ্রমিক দগ্ধ, ২ জন আইসিইউতে

  • মোঃ আল আমিন কাজী
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৮৭ পোস্ট কাউন্ট

কাঁঠালবাগানে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ শ্রমিক আইসিইউতে | জনপদের খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় একটি সাততলা ভবনের নিচতলায় সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাস থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফার্নিচার কারখানার তিন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন।

গতকাল বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ তিন শ্রমিককে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন— মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)। তারা তিনজনই পান্থপথ এলাকার একটি ফার্নিচার দোকানের শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাদের সবার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায়। এদের মধ্যে জুয়েলের বাবার নাম সবুজ মিয়া, রানার বাবা সোনা মিয়া এবং পারভেজের বাবা মানিক মিয়া।

দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা রাজিব নামের এক ব্যক্তি জানান, ঘটনার সময় ওই তিন শ্রমিক ভবনের নিচতলায় ফার্নিচারে বার্নিশের কাজ করছিলেন। হঠাৎ করেই সেপটিক ট্যাংকে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মুহূর্তের মধ্যে সেখানে থাকা জুয়েল, রানা ও পারভেজ দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ দগ্ধদের শারীরিক অবস্থার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিস্ফোরণে জুয়েলের শরীরের ৩০ শতাংশ, রানার ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজের ২১ শতাংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জুয়েল ও রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, পারভেজকে বর্তমানে জরুরি বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী তাকেও আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, দীর্ঘ দিন সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার না করা এবং আবদ্ধ স্থানে গ্যাস জমে থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

রাজধানীর কাঁঠালবাগানে সেপটিক ট্যাংকের গ্যাস বিস্ফোরণ: ৩ ফার্নিচার শ্রমিক দগ্ধ, ২ জন আইসিইউতে

আপডেট সময় : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় একটি সাততলা ভবনের নিচতলায় সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাস থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফার্নিচার কারখানার তিন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন।

গতকাল বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ তিন শ্রমিককে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন— মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)। তারা তিনজনই পান্থপথ এলাকার একটি ফার্নিচার দোকানের শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাদের সবার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায়। এদের মধ্যে জুয়েলের বাবার নাম সবুজ মিয়া, রানার বাবা সোনা মিয়া এবং পারভেজের বাবা মানিক মিয়া।

দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা রাজিব নামের এক ব্যক্তি জানান, ঘটনার সময় ওই তিন শ্রমিক ভবনের নিচতলায় ফার্নিচারে বার্নিশের কাজ করছিলেন। হঠাৎ করেই সেপটিক ট্যাংকে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মুহূর্তের মধ্যে সেখানে থাকা জুয়েল, রানা ও পারভেজ দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ দগ্ধদের শারীরিক অবস্থার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিস্ফোরণে জুয়েলের শরীরের ৩০ শতাংশ, রানার ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজের ২১ শতাংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জুয়েল ও রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, পারভেজকে বর্তমানে জরুরি বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী তাকেও আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, দীর্ঘ দিন সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার না করা এবং আবদ্ধ স্থানে গ্যাস জমে থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।